কিসমত খন্দকার আর নেই, না ফেরার দেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা এই প্রবীণ সাংবাদিক
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ সাংবাদিক খন্দকার মোহাম্মদ আবুল হাসনাত (কিসমত খন্দকার) আর নেই। বুধবার (৩০ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর আফতাবনগরের নাগরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন ধরে তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। বুধবার সকালে চিকিৎসকের পরামর্শ নেন। বিকেলে বিভিন্ন পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে পুনরায় চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা থাকলেও এর আগেই হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
কিসমত খন্দকারের ভাতিজা রিসাত গণমাধ্যমকে জানান, অসুস্থতা বাড়লে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।
পরিবার জানিয়েছে, বুধবার রাতে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ)-এ তাঁর গোসল সম্পন্ন হওয়ার কথা। বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নেওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
কিসমত খন্দকার দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) স্থায়ী সদস্য ছিলেন। পাশাপাশি তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। সংগঠনের সভাপতি আবু সালেহ আকন এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এক শোকবার্তায় মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
কিসমত খন্দকারের মৃত্যুতে সাংবাদিক সমাজ, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেক সাংবাদিক ও শুভাকাঙ্ক্ষী তাঁর কর্মজীবনের স্মৃতি স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
তথ্যসূত্র: পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য; ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-এর শোকবার্তা; বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন।





