
‘বিষের বাঁশী’: ১৯২৪ সালে বাজেয়াপ্ত নজরুলের কাব্যগ্রন্থ
১৯২৪ সালের অক্টোবর। ব্রিটিশ ভারতের বাংলার সরকার কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ বিষের বাঁশী বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করে। বইটির সব কপি জব্দ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সরকারের অভিযোগ

১৯২৪ সালের অক্টোবর। ব্রিটিশ ভারতের বাংলার সরকার কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ বিষের বাঁশী বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করে। বইটির সব কপি জব্দ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সরকারের অভিযোগ

১৯২২ সালের ২৩ নভেম্বর। ব্রিটিশ ভারতের বাংলার সরকার কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধগ্রন্থ যুগবাণী বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করে। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বইটির সব কপি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া

‘সংস্কৃতির সংকট’-এ বাঙালি সংস্কৃতি, মুসলিম সংস্কৃতি, ঊনিশ শতকে মুসলিম শিক্ষা ও মাতৃভাষা চর্চা, একুশে ফেব্রুয়ারি ও সাংস্কৃতিক আত্মনিয়ন্ত্রণ, শিক্ষার মাধ্যম, ছাত্ররাজনীতি ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন এবং

সত্যেন সেন ছিলেন সাহিত্যিক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক কর্মী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে পাকিস্তান আমলের রাজনৈতিক সংগ্রাম—দীর্ঘ সময় তিনি কারাবন্দি ছিলেন। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি তিনি শ্রমিক

আবদুল মান্নান সৈয়দ ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কবি, গল্পকার, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও সাহিত্য-সমালোচক। ১৯৪৩ সালে জন্ম নেওয়া এই সাহিত্যিক ষাটের দশকেই বাংলা সাহিত্যে নিজের স্বতন্ত্র

মিনার মনসুর বাংলাদেশের কবি, প্রাবন্ধিক ও গবেষক। তাঁর জন্ম ২০ জুলাই ১৯৬০, চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বরলিয়া গ্রামে। লেখালেখির শুরু সত্তরের দ্বিতীয়ার্ধে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ

দাউদ হায়দার ছিলেন বাংলাদেশের কবি, লেখক ও সাংবাদিক। ১৯৭০-এর দশকের শুরুতে তিনি তরুণ কবি হিসেবে পরিচিতি পান এবং দৈনিক সংবাদ-এর সাহিত্য সম্পাদক হিসেবেও কাজ করেন।

কোনো বই নিষিদ্ধ হয়েছে। কোনো কবিতা প্রকাশের পর থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোনো সংবাদপত্র বন্ধ হয়েছে। কোনো চলচ্চিত্র প্রদর্শনের অনুমতি পায়নি। কোথাও আদালতের আদেশে প্রকাশনা বন্ধ