ফেসবুক লাইভে সাংবাদিকদের নিয়ে বক্তব্য এবং হুমকির অভিযোগে ফেনী কলেজ ছাত্রদলের ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক চুমকি আক্তারের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন চার সাংবাদিক। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ফেনী মডেল থানায় পৃথক চারটি জিডি করা হয়।
জিডিদাতারা হলেন সাপ্তাহিক স্বদেশ কণ্ঠ-এর সম্পাদক নুর তানজিলা রহমান, এনটিভি অনলাইনের ফেনী প্রতিনিধি জাহিদুল আলম রাজন, ৭১ টিভির ফেনী ব্যুরোর ফটোসাংবাদিক আবদুল আল নোমান এবং সাপ্তাহিক ফেনী সমাচার-এর স্টাফ রিপোর্টার কাওছার আহমেদ। জিডিদাতাদের অভিযোগ, চুমকি আক্তার তাঁর ফেসবুক লাইভে তাঁদের নিয়ে বিভিন্ন কটুক্তিমূলক বক্তব্য দেন। তাঁদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগও তোলেন তিনি।
জিডিতে বলা হয়েছে, ওই লাইভে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও হেনস্তার অভিযোগ করা হয়। তাঁর পাঁচ বছর বয়সী সন্তানকে অপহরণের অভিযোগে সাংবাদিকদের জড়ানোর কথাও বলা হয়। এ ঘটনায় মামলা করার কথা বলা হয়েছে বলেও জিডিতে উল্লেখ করেন। এছাড়াও তিনি আত্মহত্যা করলে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের দায়ী করবেন—এমন বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
নুর তানজিলা রহমানের দাবি, চুমকি আক্তার আগে তাঁর সম্পাদিত পত্রিকায় কাজ করতেন। পরে তাঁকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পর বিরোধের সূত্রপাত হয়। অন্য সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, পেশাগত দায়িত্ব পালনের সূত্রেও চুমকি আক্তারের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ তৈরি হয়।
চুমকি আক্তার তাঁর বক্তব্যের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত ও বাজে মন্তব্যের জন্য সবার কাছে ক্ষমা চান।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম চার সাংবাদিকের জিডি করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
তথ্যসূত্র
- জাগো নিউজ — ফেনীতে সাংবাদিকদের নিয়ে ফেসবুক লাইভ, চুমকির বিরুদ্ধে ৪ জিডি
- বাংলাদেশ টাইমস — ফেসবুকে বক্তব্য, চার সাংবাদিকের জিডি
- Times Today — সাংবাদিকদের নিয়ে বক্তব্য, ছাত্রদল নেত্রীর বিরুদ্ধে ৪ জিডি
- ফেনীর টাইমস — ফেনীতে সাংবাদিকদের নিয়ে ফেসবুক লাইভ, চুমকির বিরুদ্ধে জিডি
- বার্তা বাজার — ফেনীতে সাংবাদিকদের নিয়ে ফেসবুক লাইভ, জিডি





