October 29, 2026 2:38 pm
October 29, 2026 2:38 pm

সাংবাদিক বজলু রহমান অপহরণ, গুম ও হত্যাকাণ্ড: ২৮ বছর পরও উদ্ধার হয়নি মরদেহ

সাংবাদিক বজলু রহমান অপহরণ, গুম ও হত্যাকাণ্ড: ২৬ বছর পরও উদ্ধার হয়নি মরদেহ

চুয়াডাঙ্গার সাংবাদিক বজলু রহমান ১৯৯৮ সালের ১২ জুন রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার সামনে অবস্থিত ’দিনবদলের কাগজ’ এর কার্যালয় থেকে রহস্যজনকভাবে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন। এরপর থেকে তিনি আর কখনও ফিরে আসেননি এবং আজও তার মরদেহ উদ্ধার হয়নি।

পরিবার, সহকর্মী সাংবাদিক এবং মামলার সাক্ষীদের বক্তব্য অনুযায়ী, চরমপন্থী সংগঠনের সদস্যদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ, তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ এবং একটি মামলায় প্রধান সাক্ষী হওয়ার কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে হুমকির মুখে ছিলেন। পরবর্তীতে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হয় এবং আদালত প্রধান অভিযুক্ত মাসুদ পারভেজ ওরফে পারভেজকে বজলু রহমানের অপহরণ, গুম ও হত্যার জন্য দায়ী বলে রায় দেন। তবে অভিযুক্তের মৃত্যুর কারণে সেই রায় কার্যকর হয়নি এবং বজলুর মরদেহও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

সাংবাদিক বজলু রহমান

মো. জাহিদ রহমান বজলু, যিনি বজলু রহমান (Bazlu Rahman) নামেই অধিক পরিচিত, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের টেইপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি কৃষক পরিবারের বড় সন্তান। তাঁর পিতা ছিলেন মরহুম মজিবর রহমান এবং মাতা মরহুম মোছা. মরজিনা।

১৯৯৭ সালে তিনি চুয়াডাঙ্গা বণিক সমিতিতে অফিস সহকারী হিসেবে যোগ দেন। একই সময়ে তিনি সাংবাদিকতা শুরু করেন। পরিবারের তথ্য অনুযায়ী তিনি পাক্ষিক দিনবদলের কাগজ-এর প্রতিবেদক এবং ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সোনালী বার্তা-র প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন। বজলু দিনবদলের কাগজ পত্রিকা অফিসেই থাকতেন। মাঝে মাঝে গ্রামে যেতেন বলে জানান তার ভাই কাউসার।

ছোট ভাই মো. কাউসার বলেন,

“বজলু খুব সহজ-সরল মানুষ ছিল। অর্থ বা সম্পত্তির প্রতি তার কোনো আগ্রহ ছিল না। সে শুধু সাহস করে সাংবাদিকতা করতে চাইত।”

হুমকি ও ঝুঁকিপূর্ণ সাংবাদিকতা

মামলার সাক্ষী ও সাংবাদিক অ্যাডভোকেট মানিক আকবর জানান, নব্বইয়ের দশকে চুয়াডাঙ্গা ও আশপাশের এলাকায় একাধিক চরমপন্থী সংগঠন সক্রিয় ছিল। খুন, অপহরণ ও সহিংসতা ছিল নিয়মিত ঘটনা। সাংবাদিকদের জন্য স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রকাশ করা ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

তার ভাষায়,

“চরমপন্থীদের বিরুদ্ধে লিখলেই হুমকি আসত। অনেক সাংবাদিক কৌশলে কাজ করতেন। কিন্তু বজলু সাহসী ছিল। সে চরমপন্থীদের বিরুদ্ধে লিখত এবং মাঝেমধ্যে পুলিশের কাছেও তথ্য দিত।”

মানিক আকবরের দাবি, এ কারণেই বজলু রহমানকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করে হত্যা করা হয় এবং তার মরদেহ গুম করা হয়।

অপহরণ ও নিখোঁজ হওয়া

পরিবারের বর্ণনা অনুযায়ী, ১০ জুন ১৯৯৮ সালে বজলু রহমান বাড়ি থেকে কর্মস্থলে ফেরেন। ১২ জুন রাত প্রায় ৮টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার সামনে অবস্থিত পাক্ষিক দিনবদলের কাগজ কার্যালয় থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা তাকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তিনি আর ফিরে আসেননি।

১৩ জুন সকালে ছোট ভাই মো. কাউসার কর্মস্থলে গিয়ে তাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে জানতে পারেন, আগের রাতে তাকে অফিস থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ১৪ জুন চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়, যা পরে নিয়মিত মামলায় রূপ নেয়।

প্রধান অভিযুক্ত

পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, টেইপুর গ্রামের বাসিন্দা ও তৎকালীন বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি বা লাল্টু বাহিনীর সদস্য  মাসুদ পারভেজ ওরফে পারভেজ সাংবাদিক বজলু অপহরণ ও গুমের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন। মামলায় আরও যাদের নাম আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় তারা হলেন: বাবলু, পলাশ, চন্দন, রোকন, আজিজুল, রশিদ ও লাল্টু (পিরপুর)।

পরিবারের দাবি, বজলু অপহরণ ও গুমের ঘটনায় তারা সবাই পারভেজের সহযোগী ছিলেন।

প্রতিশোধের অভিযোগ

কাউসারের ভাষ্যমতে, বজলু রহমান পূর্বে পারভেজের বিরুদ্ধে একটি মামলার প্রধান সাক্ষী ছিলেন। সেই মামলায় পারভেজ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পান। পরিবারের ধারণা, ওই মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার প্রতিশোধ হিসেবেই তাকে অপহরণ করা হয়। তিনি আরও বলেন, আদালতের রায় হওয়ার পর থেকেই পরিবার বজলুর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল। বজলুও এটা বুঝেছিলেন। ফলে তিনি গ্রামে খুব কম সময় থাকতেন। বেশিরভাগ সময়ে তিনি চুয়াডাঙ্গা শহরে পাক্ষিক দিনবদলের কাগজ এর কার্যালয়ে অবস্থান করতেন।

তদন্ত ও বিচার

পরিবারের অভিযোগ, প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেনি। ফলে মামলায় দুইবার নারাজি পিটিশন দাখিল করা হয়। পরবর্তীতে মামলাটি খুলনার বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হয় এবং চার্জশিট দাখিল করা হয়।

২০০৫ সালের ১৭ মার্চ বজলু অপহরণ ও গুম মামলার প্রধান অভিযুক্ত মাসুদ পারভেজ গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হন। দুই দিন পর, অর্থাৎ ১৯ মার্চ, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

পারভেজের মৃত্যুর এক /দেড় মাসের মধ্যে আদালত বজলু অপহরণ, গুম ও হত্যা মামলার রায় দেন। অবশ্য রায়ের আগেই পারভেজের মৃত্যুর সত্যতা যাচাই করতে এক প্রতিনিধি দল পাঠায় চুয়াঙ্গার টেইপুরে। প্রতিনিধি দল মামলার প্রধান অভিযুক্ত মাসুদ পারভেজের মৃত্যু সনদ, কবরস্থান এবং স্থানীয় সাক্ষ্য যাচাই করে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে।

পরে বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল, খুলনা রায়ে মাসুদ পারভেজকে বজলু রহমানের অপহরণ, গুম ও হত্যার জন্য দায়ী বলে উল্লেখ করেন। তবে অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে খালাস দেওয়া হয়।

তবুও বজলু রহমানের মরদেহ আজও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

পরিবারের দীর্ঘ অপেক্ষা

বজলুর ছোট ভাই মো. কাউসার বলেন,

“ভাইয়ের অপেক্ষা করতে করতে বাবা-মা মারা গেছেন। আমার জীবনের দশ বছর কোর্ট-কাচারিতে কেটে গেছে।”

তিনি জানান, পারভেজ হত্যার মামলায় তাকেও তৃতীয় নম্বর আসামি করা হয় এবং তিনি এক বছরের বেশি সময় কারাগারে ছিলেন। এ সময় তাকেও নির্যাতনসহ নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।

আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বলেন, “সব ভুলে যেতে চাই। কিন্তু কিছুতেই ভুলতে পারি না।”

সাংবাদিক সমাজের ভূমিকা

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, চুয়াডাঙ্গার সাংবাদিক সমাজ পুরো বিচারপ্রক্রিয়ায় পাশে ছিল। চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব, চুয়াডাঙ্গা সাংবাদিক সমিতি এবং স্থানীয় সাংবাদিক নেতারা একাধীকবার মানববন্ধন, প্রতিবাদ সভা ও বিবৃতি দিয়েছিলেন। সাথে থেকে মামলাটি পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করেছেন।

মামলার সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন মো. কাউসার, মরহুম মোছা. মরজিনা, অ্যাডভোকেট মানিক আকবর, ওয়াসিকুর রহমান জোয়ার্দার, রিচার্ড রহমান, জেড আলমসহ একাধিক সাংবাদিক।

আন্তর্জাতিক নথিতে বজলু রহমান

বজলু রহমানের অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নথিভুক্ত হয়েছে।

Reporters Without Borders (RSF)-এর Annual Report 2003-এ উল্লেখ করা হয় যে, চুয়াডাঙ্গার সাংবাদিক বজলু রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ সাতজন আটক ব্যক্তিকে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য মামলার নথি আদালতে জমা দেওয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল।

একই তথ্য UNHCR-এর Refworld-এ সংরক্ষিত RSF-এর ২০০৩ সালের প্রতিবেদনে উদ্ধৃত হয়েছে। সেখানে বলা হয়, বজলু রহমান হত্যা মামলায় সাতজন আটক ব্যক্তিকে বিচারের আওতায় আনতে পুলিশ মামলার নথি আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিল।

মূল্যায়ন

বর্তমানে সংগৃহীত সাক্ষাৎকার, পারিবারিক তথ্য, মামলার নথি ও সাক্ষীদের বক্তব্য এবং আন্তর্জাতিক সূত্র বিশ্লেষণ করে FoEBD-এর প্রাথমিক মূল্যায়ন হলো যে, বজলু রহমানের অপহরণ, গুম ও হত্যাকাণ্ড সাংবাদিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা। ঘটনাটি এমন এক সময় সংঘটিত হয়, যখন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে চরমপন্থী সহিংসতা এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছিল।

যদিও আদালত প্রধান অভিযুক্তকে দায়ী করে রায় প্রদান করেছে, তবুও ভুক্তভোগীর মরদেহ উদ্ধার না হওয়া, দীর্ঘ তদন্ত, বিচারপ্রক্রিয়ার বিলম্ব এবং পরিবারের দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ও সামাজিক ক্ষতি এই ঘটনাকে বাংলাদেশের দণ্ডমুক্তি, জোরপূর্বক গুম এবং সাংবাদিক নিরাপত্তার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেস হিসেবে চিহ্নিত করে।

গবেষণা নোট

এই প্রতিবেদনটি FoEBD-এর নিজস্ব মাঠপর্যায়ের গবেষণা, পারিবারিক সাক্ষাৎকার, মামলার নথি ও সাক্ষী, আন্তর্জাতিক নথি এবং উপলব্ধ বিচারিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।

অন্যদিকে প্রতিবেদনের সাথে ব্যবহৃত বজলু রহমানের পরিবারের কাছে বর্তমানে সংরক্ষিত একমাত্র আলোকচিত্র। FoEBD-এর গবেষক যখন পরিবারের সাক্ষাৎকার নিতে টেইপুর গ্রামে যান, তখন বজলুর ছোট ভাই মো. কাউসার ছবিটি সংগ্রহের জন্য তাঁর আরেক ভাইয়ের বাড়িতে যান। প্রথমে ছবিটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর ছবিটি উদ্ধার করা সম্ভব হয় এবং FoEBD সেটির একটি ডিজিটাল কপি সংরক্ষণ করে। পরিবার জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ছবিটি আরও ভালোভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

তথ্যসূত্র:

১. মো. কাউসার, ছোট ভাই, সাংবাদিক বজলু রহমান – FoEBD-এর সরাসরি সাক্ষাৎকার, টেইপুর গ্রাম, আলোকদিয়া ইউনিয়ন, চুয়াডাঙ্গা সদর। (৬ জুলাই ২০২৬)

২. অ্যাডভোকেট মানিক আকবর, সাংবাদিক ও মামলার সাক্ষী – FoEBD-এর সরাসরি সাক্ষাৎকার। (৭ জুলাই ২০২৬)

৩. পারিবারিক সংরক্ষণাগার – সাংবাদিক বজলু রহমানের আলোকচিত্র, মামলার নথি ও পারিবারিক তথ্য।

৪. বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল, খুলনা – বজলু রহমান অপহরণ, গুম ও হত্যা মামলার বিচারিক কার্যক্রম (উপলব্ধ নথি ও সাক্ষাৎকারভিত্তিক তথ্য)।

৫. Reporters Without Borders (RSF), Annual Report 2003 – Bangladesh Section.

৬. UNHCR Refworld – Reporters Without Borders Annual Report 2003: Bangladesh.

৭. FoEBD গবেষণা, মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ এবং নথি বিশ্লেষণ।

 


সাগর–রুনি হত্যা: তদন্তে আরও ছয় মাস
বিচারহীনতা ও জবাবদিহি

সাগর–রুনি হত্যা: তদন্তে আরও ছয় মাস

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রোকেয়া প্রাচীর সংশ্লিষ্টতার তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার

বিস্তারিত »
সাংবাদিক এস এম মুন্না মিয়া আর নেই
অকাল প্রয়াণ

সাংবাদিক এস এম মুন্না মিয়া আর নেই

দৈনিক মানবকণ্ঠের জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক ও সংস্কৃতি-বিষয়ক সাংবাদিক এস এম মুন্না মিয়া (স্বপন) মারা গেছেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি ক্লিনিকে

বিস্তারিত »
পাবনার সাংবাদিকতায় স্মরণীয় নাম আব্দুল জব্বার
স্মৃতিচারণ ও শ্রদ্ধাঞ্জলি

পাবনার সাংবাদিকতায় স্মরণীয় নাম আব্দুল জব্বার

সাংবাদিকতা, কলাম লেখা ও বই প্রকাশের মধ্য দিয়ে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তুলেছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল জব্বার। সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি সমসাময়িক রাজনীতি ও সমাজের নানা

বিস্তারিত »
রথো রাফি: সাংবাদিকতা, কবিতা ও অনুবাদে স্বতন্ত্র এক কণ্ঠ
স্মৃতিচারণ ও শ্রদ্ধাঞ্জলি

রথো রাফি: সাংবাদিকতা, কবিতা ও অনুবাদে স্বতন্ত্র এক কণ্ঠ

কবি, অনুবাদক ও সাংবাদিক রথো রাফি বাংলা কবিতায় নিজস্ব কণ্ঠ তৈরি করেছিলেন। কবিতার পাশাপাশি বিশ্বকবিতার অনুবাদ এবং সাংবাদিকতায়ও রেখেছেন অবদান। দীর্ঘ দুই দশকের কবিতাচর্চা, ছোটকাগজের

বিস্তারিত »
সাংবাদিকতা ও জনজীবনে শফিকুর রহমানের অবদান
স্মৃতিচারণ ও শ্রদ্ধাঞ্জলি

সাংবাদিকতা ও জনজীবনে শফিকুর রহমানের অবদান

বাংলাদেশের সাংবাদিকতা ও জনজীবনে মুহাম্মদ শফিকুর রহমানের দীর্ঘ কর্মজীবন বিস্তৃত ছিল। তিনি দৈনিক ইত্তেফাকে সাংবাদিকতা করেছেন। লিখেছেন রাজনৈতিক কলাম। দায়িত্ব পালন করেছেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি

বিস্তারিত »
ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গণপিটুনিতে মৃত্যু, মামলা
শহীদ ও নিহত

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গণপিটুনিতে মৃত্যু, মামলা

সাতক্ষীরার দেবহাটায় ওয়াহিদুজ্জামান শামীমকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। ১৫ অক্টোবর রাতে তাঁর বড় ভাই জলিল সানা বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ১০

বিস্তারিত »