সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ঘটনাটি ধারণ করতে যাওয়া এক সাংবাদিককে হেনস্তা ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটে ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্যকে অভ্যর্থনা জানানোর পর ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে পরিস্থিতি হাতাহাতিতে গড়ায়।
ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে ঘটনাস্থলে যান সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির অর্থ সম্পাদক আইনুল হক। তিনি রাইজিংবিডির বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি। আইনুল হকের অভিযোগ, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার সময় কয়েকজন ছাত্রদল নেতা তাঁর দিকে এগিয়ে আসেন। তাঁকে গালিগালাজ করা হয়। পরে তাঁর মোবাইল ফোনে থাকা ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলতে বাধ্য করা হয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
আইনুল হক জানান, তিনি সংঘর্ষের আশঙ্কার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার ছবি, ভিডিও ও তথ্য সংগ্রহের সময় তাঁকে বাধার মুখে পড়তে হয়।
তবে ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক সানাউল হোসেন সনি অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সাধারণ শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকের মোবাইল ফোন থেকে ছবি ও ভিডিও মুছে দেয়।
ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি। সংগঠনটি সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগের নিন্দা জানিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহাম্মদ জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি শুনেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তথ্যসূত্র





