চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে দৈনিক ইত্তেফাকের উপজেলা প্রতিনিধি ও ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহসভাপতি সাংবাদিক মহিউদ্দিনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। ২০ অক্টোবর ২০২৬ সকালে ফরিদগঞ্জ বাজারের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে তিনি আহত হন।
দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পর মহিউদ্দিনকে প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় সহকর্মী সাংবাদিকেরা তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান।
হামলার অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্য
মহিউদ্দিন অভিযোগ করেন, ফরিদগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কামরুল পাটোয়ারীসহ কয়েকজন তাঁর ওপর হামলা চালান। তাঁর দাবি, কয়েক দিন আগে স্বেচ্ছাসেবক দলের চার সদস্যের গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশের জেরে এ হামলা হয়।
তবে বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে অভিযুক্ত পক্ষের ভিন্ন বক্তব্য এসেছে। তাদের দাবি, মহিউদ্দিন তাঁকে চাঁদাবাজ বলায় বিরোধের সৃষ্টি হয়। ফলে হামলার কারণ নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে। অভিযোগগুলোর স্বাধীন যাচাইয়ের তথ্য পাওয়া যায়নি।
চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিরা নুর বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, প্রাথমিকভাবে ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তখন পর্যন্ত মহিউদ্দিনের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়নি বলে তিনি জানান।
প্রতিবাদ সভা ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত
ঘটনার প্রতিবাদে ২১ অক্টোবর বিকেল ৩টায় ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত সাংবাদিকেরা হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তাঁরা ঘটনার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম চাঁদপুর টাইমস ও চাঁদপুর কণ্ঠের প্রতিবেদনে এ সভার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ত
পরে সমঝোতার খবর
২১ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাবেক সংসদ সদস্য লায়ন মো. হারুনুর রশিদ উপস্থিত হন। প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামালসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের বক্তব্য শোনা হয়। পরে পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বিরোধের নিষ্পত্তি হয়েছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়।
তথ্যসূত্র
১. দৈনিক ইত্তেফাক: ফরিদগঞ্জে ইত্তেফাকের সাংবাদিক মহিউদ্দিনকে এক ঘণ্টা আটকে রেখে পেটানোর অভিযোগ
২. বাংলা ট্রিবিউন: স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজনকে নিয়ে নিউজ করায় সাংবাদিকের ওপর হামলা





