October 29, 2026 3:20 pm
October 29, 2026 3:20 pm

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হককে স্মরণ: স্বাধীন চিন্তার এক দীর্ঘ পথ

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হককে স্মরণ: স্বাধীন চিন্তার এক দীর্ঘ পথ

বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসরে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের উপস্থিতি ছিল দীর্ঘদিনের। তিনি ছিলেন শিক্ষক। ছিলেন লেখক ও গবেষক। ছিলেন সাহিত্য সমালোচক ও সমাজ বিশ্লেষক।

তাঁর পরিচয় শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বা বইয়ের লেখকের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। সমাজ, রাষ্ট্র, রাজনীতি, সংস্কৃতি এবং মানুষের চিন্তার স্বাধীনতা নিয়েও তিনি প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। জীবনের শেষ পর্যন্ত তিনি লিখেছেন এবং মত প্রকাশ করেছেন।

শিক্ষকতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক জীবন

আবুল কাসেম ফজলুল হক ১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা শেষে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শিক্ষকতা শুরু করেন। চার দশকের বেশি সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তাঁর প্রধান কাজের ক্ষেত্র ছিল লেখালেখি ও গবেষণা। তাঁর বইয়ের বিষয় ছিল বিস্তৃত। সাহিত্য থেকে রাজনীতি। সংস্কৃতি থেকে নৈতিকতা। রাষ্ট্রচিন্তা থেকে বাংলাদেশের সমাজ।

‘মুক্তিসংগ্রাম’, ‘কালের যাত্রার ধ্বনি’, ‘উনিশ শতকের মধ্যশ্রেণি ও বাংলা সাহিত্য’, ‘রাজনীতি ও দর্শন’, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা’ এবং ‘রাষ্ট্রচিন্তায় বাংলাদেশ’ তাঁর উল্লেখযোগ্য বইগুলোর মধ্যে রয়েছে। তিনি শুধু অতীত নিয়ে গবেষণা করেননি। সমসাময়িক বাংলাদেশ নিয়েও লিখেছেন।

লেখালেখি ছিল জনপরিসরের অংশ

আবুল কাসেম ফজলুল হকের লেখালেখির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল এর জনমুখী চরিত্র। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সমাজ, রাজনীতি ও সংস্কৃতি নিয়ে সংবাদপত্রে কলাম লিখেছেন। ১৯৮২ সাল থেকে সম্পাদনা করেছেন মননশীল সাময়িকী ‘লোকায়ত’। এই কাজ তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের বাইরেও একটি বৃহত্তর পাঠকসমাজের সঙ্গে যুক্ত রেখেছিল। তাঁর চিন্তা বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি জনপরিসরের বিতর্কেও অংশ নিয়েছেন।

স্বাধীনভাবে চিন্তার প্রশ্ন

স্বাধীন চিন্তা ও মতপ্রকাশের বিষয়ে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যে নিজের উদ্বেগের কথা বলেছেন। ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই দৈনিক প্রথম আলোয় প্রকাশিত এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি নিজের ভাবনা ও অভিমত মন খুলে লিখতে পারেন কি না। তাঁর উত্তর ছিল সরাসরি—তিনি পারেন না।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চিন্তা ও গবেষণার স্বাধীনতা নেই। রাজনৈতিক দলগুলো স্বাধীন চিন্তাশীলতাকে অনুমোদন করে না। প্রশাসনে কর্মরত ব্যক্তিদের মতপ্রকাশের সুযোগও সীমিত। তাঁর মতে, ছাত্রসংগঠনগুলোতেও স্বাধীন চিন্তাচর্চার সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, টেলিভিশন চ্যানেল ও সংবাদমাধ্যম দৃশ্যমান ও অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে।

২০২০ সালের অক্টোবরের আগে প্রথম আলোকে দেওয়া আরেক সাক্ষাৎকারে তিনি মতপ্রকাশের পরিবেশ নিয়ে আবারও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সেখানে লেখক হিসেবে তাঁর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আগের এক দশকে আইন, আদালতের আদেশ ও অন্যান্য ব্যবস্থার মাধ্যমে মতপ্রকাশ ও আত্মপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত করা হয়েছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে শিক্ষার্থী, তরুণ এবং তরুণ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের গ্রেপ্তার ও কারাবন্দি হওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

এর কয়েক বছর পরও তাঁর বক্তব্যের একই ধারাবাহিকতা দেখা যায়। ২০২৩ সালের ১৪ এপ্রিল প্রথম আলোয় প্রকাশিত “স্বাধীন বুদ্ধিজীবী ও সংস্কৃতিকর্মীরা এখন নিঃসঙ্গ” শীর্ষক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, জাতীয় জীবনে স্বাধীন চিন্তাশীলতাকে নিয়ন্ত্রণের নানা চেষ্টা রয়েছে। তিনি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো নিবর্তনমূলক আইন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন, উন্নত চিন্তাচেতনার চর্চাকারীদের জন্য স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের সুযোগ থাকা প্রয়োজন। তাঁর ভাষায়, দলীয় সংকীর্ণতার বাইরে থেকে যাঁরা স্বাধীনভাবে চিন্তা ও মত প্রকাশ করতে চান, তাঁরা ক্রমেই নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ছেন।

এই বক্তব্যগুলো থেকে অন্তত একটি বিষয় স্পষ্টভাবে দেখা যায়—স্বাধীনভাবে চিন্তা করা এবং সেই চিন্তা প্রকাশের পরিবেশ নিয়ে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক দীর্ঘ সময় ধরে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন।

স্বাধীন বুদ্ধিজীবীদের নিঃসঙ্গতা

তিনি একসময় বলেছিলেন, স্বাধীন বুদ্ধিজীবী ও সংস্কৃতিকর্মীরা ক্রমেই নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ছেন। এই পর্যবেক্ষণ তাঁর চিন্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে। তিনি বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতাকে শুধু ব্যক্তির অধিকার হিসেবে দেখেননি। সমাজে স্বাধীনভাবে চিন্তা করার পরিবেশকেও গুরুত্বপূর্ণ মনে করতেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা নিয়ে তাঁর লেখালেখিতে এই উদ্বেগ বারবার এসেছে।

দীপন হত্যার পর

২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর তাঁর জীবনে আসে এক গভীর ব্যক্তিগত বিপর্যয়। তাঁর ছেলে ফয়সল আরেফিন দীপন ছিলেন জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ও প্রকাশক। তিনি লেখালেখি ও প্রকাশনার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। সেদিন রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে নিজের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে দীপন নিহত হন।

পরে দীপন হত্যা মামলার রায়ে আদালত পর্যবেক্ষণ করে যে, লেখক, ব্লগার ও প্রকাশকদের ওপর ধারাবাহিক হামলার অংশ হিসেবে তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল। আদালতের পর্যবেক্ষণে দীপনের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে লেখক-ব্লগার অভিজিৎ রায়ের বই প্রকাশের বিষয়টিও হত্যার প্রেক্ষাপট হিসেবে উঠে আসে।

একজন চিন্তাবিদ ও শিক্ষক হিসেবে মতপ্রকাশের পরিবেশ নিয়ে তাঁর উদ্বেগের সঙ্গে এবার যুক্ত হলো ব্যক্তিগত শোক। তিনি পরে দীপন হত্যার বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন।

২০২১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আট আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। রায়ের পর অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ প্রমাণিত হলে এমন অপরাধের বিচার হওয়া উচিত এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য তা গুরুত্বপূর্ণ। তবে তাঁর জীবদ্দশায় সেই রায় কার্যকর হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

ARTICLE 19-এর নথিতে লন্ডনের বক্তব্য

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের জীবনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আন্দোলনেরও একটি নথিভুক্ত সংযোগ রয়েছে। ARTICLE 19-এর Annual Report 2017-এ সংস্থাটির একটি বার্ষিকী অনুষ্ঠানের বিবরণে “murdered Bangladeshi blogger Faisal Arefin Dipan”-এর বাবার বক্তব্যের উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই অনুষ্ঠানে কয়েকজন অংশগ্রহণকারীর “extraordinary and moving testimonies” তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে ছিলেন নিহত বাংলাদেশি ব্লগার ফয়সাল আরেফিন দীপনের বাবা। নথিতে তাঁর নাম সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও দীপনের বাবা হিসেবে এটি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হককেই নির্দেশ করে।

ARTICLE 19-এর নথি থেকে নিশ্চিতভাবে এটুকুই বলা যায়—২০১৭ সালে সংস্থাটির একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে দীপনের বাবার বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছিল। সেই বক্তব্যকে সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ও আবেগস্পর্শী সাক্ষ্যগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছে।

একজন বাবার পরিচয়ের বাইরেও

দীপন হত্যার ঘটনা অধ্যাপক ফজলুল হকের জীবনের একটি গভীর ট্র্যাজেডি। কিন্তু তাঁকে শুধু “নিহত প্রকাশকের বাবা” হিসেবে দেখলে তাঁর দীর্ঘ বুদ্ধিবৃত্তিক জীবন আড়ালে থেকে যায়। তিনি কয়েক দশক শিক্ষকতা করেছেন। গবেষণা করেছেন। সমাজ ও রাষ্ট্র নিয়ে লিখেছেন। মননশীল পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। বাংলা ভাষার ব্যবহার নিয়ে কাজ করেছেন।

২০১৫ সাল থেকে তিনি রাষ্ট্রভাষা বাংলা রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের অক্টোবরে তিনি বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

স্বীকৃতি

সাহিত্য ও গবেষণায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ লেখক শিবির পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার এবং অলক্ত সাহিত্য পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মাননা পেয়েছেন।

তবে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়তো কোনো পুরস্কারে ধরা যায় না। তিনি ছিলেন এমন একজন মানুষ, যিনি দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশের সমাজ নিয়ে ভেবেছেন এবং নিজের চিন্তা প্রকাশ করেছেন।

শেষ যাত্রা

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ৫ জুলাই ২০২৬ রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা একাডেমি এবং দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তাঁর মৃত্যুতে শোক জানানো হয়। পরদিন তাঁকে দীর্ঘদিনের কর্মস্থল বাংলা একাডেমি ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানোর পর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

যে প্রশ্নগুলো রেখে গেলেন

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের জীবনকে শুধু একজন শিক্ষকের জীবন হিসেবে দেখা যায় না। তিনি ছিলেন একজন জনবুদ্ধিজীবী। তাঁর চিন্তার বিষয় ছিল সমাজ ও রাষ্ট্র। স্বাধীনভাবে চিন্তা করার পরিবেশ নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। মতপ্রকাশের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলেছেন। সংবাদপত্রে লিখেছেন। নিজের চিন্তাকে জনপরিসরে নিয়ে গেছেন। আবার তাঁর ব্যক্তিগত জীবনও বাংলাদেশের মতপ্রকাশের ইতিহাসের এক নির্মম অধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে।

তাঁর ছেলে ছিলেন একজন প্রকাশক। লেখক ও ব্লগারদের বই প্রকাশের সঙ্গে যুক্ত একজন মানুষ। ২০১৫ সালে তাঁকে হত্যা করা হয়। পরে আদালতের রায়ে সেই হত্যাকাণ্ডকে লেখক, ব্লগার ও প্রকাশকদের ওপর ধারাবাহিক হামলার প্রেক্ষাপটে দেখা হয়।

এই দুই বাস্তবতা—একজন চিন্তাবিদের স্বাধীন চিন্তার পক্ষে বক্তব্য এবং একজন পিতার ব্যক্তিগত ক্ষতি—তাঁর জীবনকে বাংলাদেশের মতপ্রকাশের ইতিহাসের সঙ্গে এক বিশেষভাবে যুক্ত করেছে।

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই।

কিন্তু স্বাধীনভাবে চিন্তা করার অধিকার, ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ এবং একটি সমাজে বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তাঁর উত্থাপিত প্রশ্নগুলো রয়ে গেছে। সম্ভবত তাঁকে স্মরণ করার সবচেয়ে যথাযথ উপায় হলো—তাঁর সব মতের সঙ্গে একমত হওয়া নয়। বরং স্বাধীনভাবে চিন্তা করার অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া। কারণ একটি সমাজে চিন্তার স্বাধীনতা সংকুচিত হলে, শুধু একজন লেখক বা শিক্ষক নন—সংকুচিত হয় পুরো সমাজের ভবিষ্যৎ।

FoEBD শ্রদ্ধার সঙ্গে অধ্যাপক, লেখক, গবেষক ও চিন্তাবিদ আবুল কাসেম ফজলুল হককে স্মরণ করছে।

তথ্যসূত্র


সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির মন্তব্যের প্রতিবাদ, ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম
সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান

সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির মন্তব্যের প্রতিবাদ, ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

সাংবাদিকদের পেশাগত সততা ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ও বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন

বিস্তারিত »
ব্রিটেনে মিডিয়া এক্সিলেন্স সম্মাননা পেলেন আ স ম মাসুম
মিডিয়া ও গণমাধ্যম

ব্রিটেনে মিডিয়া এক্সিলেন্স সম্মাননা পেলেন আ স ম মাসুম

ব্রিটিশ বাংলাদেশি গণমাধ্যমে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘মিডিয়া এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন সাংবাদিক আ স ম মাসুম। ২৫ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে আয়োজিত চতুর্থ ব্রিটিশ বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাওয়ার্ড

বিস্তারিত »
পাবনার সাংবাদিকতায় স্মরণীয় নাম আব্দুল জব্বার
স্মৃতিচারণ ও শ্রদ্ধাঞ্জলি

পাবনার সাংবাদিকতায় স্মরণীয় নাম আব্দুল জব্বার

সাংবাদিকতা, কলাম লেখা ও বই প্রকাশের মধ্য দিয়ে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তুলেছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল জব্বার। সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি সমসাময়িক রাজনীতি ও সমাজের নানা

বিস্তারিত »
গণমাধ্যম সংস্কারে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ
মিডিয়া ও গণমাধ্যম

গণমাধ্যম সংস্কারে পূর্ণাঙ্গ পরিবর্তনের দাবি

গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে পূর্ণাঙ্গ কাঠামোগত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগের সাংবাদিক, সম্পাদক ও গণমাধ্যমসংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা। তাঁরা বলেছেন, বিচ্ছিন্ন পদক্ষেপে গণমাধ্যমের দীর্ঘদিনের সংকট দূর হবে

বিস্তারিত »
‘বিষের বাঁশী’: ১৯২৪ সালে বাজেয়াপ্ত নজরুলের কাব্যগ্রন্থ
যা কিছু নিষিদ্ধ

‘বিষের বাঁশী’: ১৯২৪ সালে বাজেয়াপ্ত নজরুলের কাব্যগ্রন্থ

১৯২৪ সালের অক্টোবর। ব্রিটিশ ভারতের বাংলার সরকার কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ বিষের বাঁশী বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করে। বইটির সব কপি জব্দ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সরকারের অভিযোগ

বিস্তারিত »
রথো রাফি: সাংবাদিকতা, কবিতা ও অনুবাদে স্বতন্ত্র এক কণ্ঠ
স্মৃতিচারণ ও শ্রদ্ধাঞ্জলি

রথো রাফি: সাংবাদিকতা, কবিতা ও অনুবাদে স্বতন্ত্র এক কণ্ঠ

কবি, অনুবাদক ও সাংবাদিক রথো রাফি বাংলা কবিতায় নিজস্ব কণ্ঠ তৈরি করেছিলেন। কবিতার পাশাপাশি বিশ্বকবিতার অনুবাদ এবং সাংবাদিকতায়ও রেখেছেন অবদান। দীর্ঘ দুই দশকের কবিতাচর্চা, ছোটকাগজের

বিস্তারিত »