October 29, 2026 1:42 pm
October 29, 2026 1:42 pm

মতপ্রকাশের অধিকার ও সাংবাদিকতার দায়িত্ব

মতপ্রকাশের অধিকার ও সাংবাদিকতার দায়িত্ব

সাংবাদিকের অধিকার জানুন (পর্ব-৩)

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা একটি মৌলিক অধিকার। সাংবাদিকতা এই অধিকারকে বাস্তবে কার্যকর করার গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম। সাংবাদিক সমাজের নানা ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও মানুষের কথা তুলে ধরেন। তাই স্বাধীন সাংবাদিকতা একটি গণতান্ত্রিক সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

কিন্তু স্বাধীনতার সঙ্গে দায়িত্বও থাকে। কেননা, সাংবাদিকের অধিকার আছে—কিন্তু সেই অধিকার তাকে দায়মুক্তি দেয় না। একইভাবে, সাংবাদিকের দায়িত্বের কথা বলে তার স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার যুক্তি হতে পারে না।

অর্থাৎ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকতার দায়িত্ব পরস্পরের বিরোধী নয়; বরং একে অন্যকে শক্তিশালী করে।

সাংবাদিকের অধিকার মানে দায়মুক্তি নয়

আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ, যাচাই ও প্রকাশের অধিকার গুরুত্বপূর্ণভাবে সুরক্ষিত। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিটি বলেছে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা একটি মুক্ত ও গণতান্ত্রিক সমাজের ভিত্তি। একই সঙ্গে এই স্বাধীনতার ওপর আরোপিত যেকোনো সীমাবদ্ধতা আইনসম্মত, প্রয়োজনীয় ও আনুপাতিক হতে হবে। সাংবাদিকতাও এই সুরক্ষার অংশ। তবে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা দায়িত্বহীনতার অনুমতি নয়।

ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালতের বিভিন্ন রায়ে বলা হয়েছে, সাংবাদিকরা জনস্বার্থের বিষয়ে তথ্য প্রকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু তাদেরও পেশাগত দায়িত্ব রয়েছে—বিশেষ করে তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা, যথাযথ যাচাই এবং সৎ উদ্দেশ্যে সাংবাদিকতা করার বিষয়ে।

অর্থাৎ, সাংবাদিককে প্রশ্ন করা মানেই সাংবাদিকতার স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যাওয়া নয়।

বরং স্বাধীন সাংবাদিকতার বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষার জন্য সাংবাদিকতার মান ও জবাবদিহি নিয়েও প্রশ্ন করা প্রয়োজন।

অপসাংবাদিকতা কী?

‘অপসাংবাদিকতা’ সব ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট আইনি সংজ্ঞার শব্দ নয়। তবে পেশাগত ও নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এমন সাংবাদিকতা বোঝাতে শব্দটি ব্যবহার করা যায়, যেখানে তথ্য সংগ্রহ, যাচাই, উপস্থাপন বা প্রকাশের মৌলিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা হয় না এবং এর ফলে ব্যক্তি বা সমাজের ওপর অন্যায় ক্ষতি তৈরি হয়।

এর মধ্যে থাকতে পারে—

  • যাচাই না করে অভিযোগকে সত্য হিসেবে প্রকাশ করা;
  • কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশ করে তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা না করা;
  • গুজব বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টকে খবর হিসেবে উপস্থাপন করা;
  • শিরোনাম ইচ্ছাকৃতভাবে এমনভাবে তৈরি করা, যাতে মূল তথ্যের চেয়ে উত্তেজনা বেশি তৈরি হয়;
  • তথ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ দিয়ে বিভ্রান্তিকর ছবি তৈরি করা;
  • ব্যক্তিগত আক্রমণ বা চরিত্রহননকে সাংবাদিকতার নামে উপস্থাপন করা;
  • ভুল তথ্য প্রকাশের পর তা সংশোধন না করা;
  • ছবি, ভিডিও, অডিও বা বক্তব্যের অংশবিশেষ এমনভাবে ব্যবহার করা, যাতে ভিন্ন অর্থ তৈরি হয়;
  • জনস্বার্থের প্রয়োজন ছাড়া ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ করা;
  • অর্থ, ব্যক্তিগত স্বার্থ বা অন্য কোনো প্রভাবের কারণে সংবাদকে বিকৃত করা;
  • বিজ্ঞাপন, প্রচারণা বা মতামতকে সংবাদ হিসেবে উপস্থাপন করা।

এসবের সবকিছুকে একই মাত্রার অপরাধ বলা যাবে না। কোনো ভুল হতে পারে অনিচ্ছাকৃত। আবার কোনো ক্ষেত্রে থাকতে পারে গুরুতর অবহেলা বা ইচ্ছাকৃত বিকৃতি। তাই প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রে তথ্য, প্রমাণ, উদ্দেশ্য ও ক্ষতির মাত্রা আলাদাভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

অপসাংবাদিকতার শিকার শুধু রাজনীতিবিদ বা ক্ষমতাবান নন

অপসাংবাদিকতা নিয়ে আলোচনা করতে গেলে একটি বিষয় প্রায়ই বাদ পড়ে যায়। একটি ভুল বা মিথ্যা সংবাদ একজন সাধারণ মানুষের জীবনেও গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

কোনো ব্যক্তিকে যাচাই ছাড়া অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা হলে তার পরিবার সামাজিক চাপের মুখে পড়তে পারে। চাকরি বা ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সামাজিক সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে। একজন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী, শিল্পী কিংবা সাধারণ নাগরিকও অপমান, ভয় ও মানসিক চাপের মধ্যে পড়তে পারেন।

কখনো একটি শিরোনাম বা কয়েক সেকেন্ড/মিনিটের ভিডিও একজন মানুষের বহু বছরের পরিচয়কে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিতে পারে।

ডিজিটাল যুগে এই ক্ষতি আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে এবং পরে সংশোধনী প্রকাশ করলেও আগের ক্ষতি পুরোপুরি ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।

তাই সাংবাদিকতার দায়িত্ব শুধু ‘খবর প্রকাশ করা’ নয়। খবর প্রকাশের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কেও সচেতন থাকা সাংবাদিকতার দায়িত্বের অংশ।

সমালোচনা আর চরিত্রহনন এক নয়

সাংবাদিকতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো প্রশ্ন করা এবং ক্ষমতাবানদের জবাবদিহির মধ্যে রাখা। কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সরকারের সমালোচনা করলেই তা অপসাংবাদিকতা নয়। আবার কোনো ব্যক্তি ক্ষমতাবান হলেই তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিটি অভিযোগ সত্য ধরে নেওয়াও সাংবাদিকতা নয়।

এখানে পার্থক্য তৈরি করে— প্রমাণ, যাচাই, প্রাসঙ্গিকতা, ন্যায্যতা এবং উপস্থাপনের ধরন।

জনস্বার্থের কোনো অনিয়ম নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করা এবং ব্যক্তিগত অপমানের উদ্দেশ্যে কাউকে নিয়ে তথ্য প্রকাশ করা এক বিষয় নয়।

একটি প্রতিবেদনে কঠিন প্রশ্ন থাকতে পারে। সমালোচনা থাকতে পারে। এমনকি তীব্র ভাষাও থাকতে পারে। কিন্তু তথ্যকে বিকৃত করা, অভিযোগকে সত্য হিসেবে চালিয়ে দেওয়া বা অপ্রয়োজনীয়ভাবে ব্যক্তিগত মর্যাদা নষ্ট করা সাংবাদিকতার দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

সাংবাদিকের পাঁচটি মৌলিক দায়িত্ব

দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার একটি সহজ কাঠামো হতে পারে—

১. তথ্য যাচাই- যতটা সম্ভব প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই করা।

২. অভিযোগ ও সত্য আলাদা রাখা- অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই উপস্থাপন করা; যাচাই না হওয়া তথ্যকে নিশ্চিত সত্য হিসেবে না লেখা।

৩. সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্যের সুযোগ দেওয়া- বিশেষ করে গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা এবং তা যথাযথভাবে উপস্থাপন করা।

৪. ভুল হলে সংশোধন করা- ভুল সংবাদ প্রকাশিত হলে তা সংশোধন বা পরিষ্কার করা সাংবাদিকতার দুর্বলতা নয়; বরং পেশাগত দায়িত্বশীলতার পরিচয়।

৫. জনস্বার্থ ও ক্ষতির মধ্যে ভারসাম্য রাখা- কোনো তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে শুধু ‘প্রকাশ করা যায় কি না’ নয়, ‘কেন প্রকাশ করা প্রয়োজন’ এবং ‘এর সম্ভাব্য ক্ষতি কী’—সেটিও বিবেচনা করা।

ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালতও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য এবং সৎ উদ্দেশ্যের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমেরও দায়িত্ব আছে

জবাবদিহি শুধু একজন রিপোর্টারের বিষয় নয়। সম্পাদক, সংবাদমাধ্যমের মালিক, ব্যবস্থাপনা এবং প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানেরও দায়িত্ব রয়েছে।

একজন সাংবাদিককে দ্রুত সংবাদ দেওয়ার চাপ দেওয়া, যাচাইয়ের পর্যাপ্ত সময় না দেওয়া কিংবা দর্শক-ভিউ বাড়ানোর জন্য উত্তেজক শিরোনামকে উৎসাহিত করা হলে সেটিও সাংবাদিকতার পরিবেশের অংশ। তাই সাংবাদিকতার মান নিয়ে আলোচনা করতে গেলে শুধু সাংবাদিককে নয়, পুরো সংবাদপ্রতিষ্ঠানের পেশাগত সংস্কৃতিকেও বিবেচনায় নিতে হবে।

সাংবাদিকের বিরুদ্ধে জবাবদিহি যেন সাংবাদিকতা দমনের হাতিয়ার না হয়

অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে জবাবদিহির কথা বলা কখনোই এমন হতে পারে না যে, সরকার বা কোনো ক্ষমতাবান ব্যক্তি অস্বস্তিকর সংবাদকে ‘অপসাংবাদিকতা’ বলে বন্ধ করে দেবে।

কারণ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা সবসময় আরামদায়ক বা স্বস্তিকর হবে না। সত্য প্রকাশ অনেক সময় ক্ষমতাবান ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে। তাই কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশ্নে দেখতে হবে—তিনি কি সত্যিই দায়িত্বহীনভাবে তথ্য প্রকাশ করেছেন, নাকি তিনি জনস্বার্থে একটি অস্বস্তিকর সত্য তুলে ধরেছেন? এই পার্থক্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিটি বলেছে, শুধু সরকার বা রাজনৈতিক-সামাজিক ব্যবস্থার সমালোচনা করার কারণে সাংবাদিক বা গণমাধ্যমকে শাস্তি দেওয়া মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

অন্যদিকে, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আন্তর্জাতিক মানদণ্ডও স্পষ্ট—সাংবাদিকতার স্বাধীনতা পেশাগত দায়িত্ব থেকে আলাদা নয়। কাউন্সিল অব ইউরোপও সাংবাদিকদের পেশাগত ও নৈতিক মানদণ্ড মেনে চলা এবং অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলাকে সাংবাদিকদের দায়িত্বের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

তাহলে জবাবদিহি কীভাবে হবে?

জবাবদিহির অর্থ সবসময় ফৌজদারি শাস্তি নয়। ভুলের সংশোধন, অভিযোগের জবাব প্রকাশ, সম্পাদকীয় পর্যালোচনা, পেশাগত নীতিমালা, কার্যকর অভিযোগ ব্যবস্থাপনা এবং স্বাধীন ও দায়িত্বশীল স্ব-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

মূল বিষয় হলো—একজন সাংবাদিক বা সংবাদপ্রতিষ্ঠান যেন নিজের ভুলের জন্য কোনো প্রশ্নের ঊর্ধ্বে না থাকে। একই সঙ্গে কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিককে অপরাধী ধরে নেওয়াও ঠিক নয়।

অভিযোগ, যাচাই এবং সিদ্ধান্ত—এই তিনটি আলাদা বিষয়।

এটি সাংবাদিকতার ক্ষেত্রেও যেমন সত্য, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ক্ষেত্রেও তেমনই সত্য।

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সবার

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা শুধু সাংবাদিকের অধিকার নয়। এটি সাধারণ নাগরিকেরও অধিকার। একজন সাংবাদিক এই অধিকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারকারী। কিন্তু তিনি এই অধিকারের মালিক নন।

তাই একজন সাংবাদিকের স্বাধীনতা রক্ষা করা যেমন জরুরি, তেমনি একজন সাধারণ মানুষের সম্মান, ব্যক্তিগত জীবন, নিরাপত্তা এবং ন্যায্য প্রতিকার পাওয়ার অধিকারও উপেক্ষা করা যায় না।

একইভাবে, সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হামলা, হুমকি, মামলা বা হয়রানি যেমন নথিবদ্ধ ও প্রতিরোধ করা প্রয়োজন, তেমনি সাংবাদিকতার নামে কারও জীবন ও মর্যাদার ওপর অন্যায় আঘাতের অভিযোগও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।

FOEBD-এর দৃষ্টিতে

FoEBD মনে করে, স্বাধীন সাংবাদিকতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা পরস্পরের বিকল্প নয়।

সাংবাদিকের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও তথ্য সংগ্রহের অধিকার রক্ষা করা জরুরি। একই সঙ্গে তথ্য যাচাই, ন্যায্য উপস্থাপন, ভুল সংশোধন এবং অন্যের অধিকার ও মর্যাদার প্রতি সম্মানও সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্বের অংশ।

কোনো সাংবাদিকের স্বাধীনতা রক্ষা করার অর্থ তার প্রতিটি কাজকে সঠিক বলে ধরে নেওয়া নয়। আবার কোনো সাংবাদিকের ভুল বা অপসাংবাদিকতার অভিযোগ থাকলেই তার পেশাগত স্বাধীনতা অস্বীকার করাও গ্রহণযোগ্য নয়।

অর্থাৎ স্বাধীনতা থাকবে। প্রশ্নও থাকবে। অধিকার থাকবে। জবাবদিহিও থাকবে।

কারণ শেষ পর্যন্ত সাংবাদিকতার শক্তি শুধু কতটা স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রকাশ করা যায়, তার ওপর নির্ভর করে না—মানুষ সেই সংবাদকে কতটা বিশ্বাস করতে পারে, তার ওপরও নির্ভর করে।

তথ্যসূত্র


ডিজিটাল যুগে সাংবাদিক কে?
প্রতিবেদন

ডিজিটাল যুগে সাংবাদিক কে?

সাংবাদিকের অধিকার জানুন (পর্ব-৪) একসময় সাংবাদিকতা বলতে মূলত সংবাদপত্র, রেডিও ও টেলিভিশনের কথা বোঝানো হতো। এখন সেই সময় বদলে গেছে। এখন নিজের হাতে থাকা একটি স্মার্টফোন

বিস্তারিত »
সাংবাদিক কে?
প্রতিবেদন

সাংবাদিকতা, মতপ্রকাশ ও ডিজিটাল সমাজ

সাংবাদিকের অধিকার জানুন (পর্ব-২) সাংবাদিক কে? — আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কী বলে? সাংবাদিক হতে কি কোনো নির্দিষ্ট ডিগ্রি লাগবে? প্রেস কার্ড থাকতে হবে? কোনো সংবাদমাধ্যমে চাকরি করতে

বিস্তারিত »
সাংবাদিকের মানসিক নিরাপত্তা কোথায়?
গবেষণা

সাংবাদিকের মানসিক নিরাপত্তা কোথায়? পুলক চ্যাটার্জির মৃত্যু যে প্রশ্ন সামনে আনল

একজন সাংবাদিক প্রতিদিন অন্য মানুষের গল্প লেখেন। অন্যায়, দুর্নীতি, সহিংসতা, মানুষের কষ্ট এবং জবাবদিহির প্রশ্ন সামনে আনেন। কিন্তু সেই সাংবাদিক নিজেই যখন দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা, পেশাগত অনিশ্চয়তা,

বিস্তারিত »
সাংবাদিক নিবন্ধন কি রাষ্ট্রীয় অনুমতির পথে নিয়ে যাবে?
প্রতিবেদন

সাংবাদিক নিবন্ধন কি রাষ্ট্রীয় অনুমতির পথে নিয়ে যাবে?

বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের প্রকাশ্য বক্তব্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত সংশোধনীর মধ্যে সাংবাদিকদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ, বার কাউন্সিলের মতো

বিস্তারিত »
অনলাইন বিজ্ঞাপনের আড়ালে নজরদারি: সাংবাদিক ও তথ্যসূত্র কতটা ঝুঁকিতে?
প্রতিবেদন

অনলাইন বিজ্ঞাপনের আড়ালে নজরদারি: সাংবাদিক ও তথ্যসূত্র কতটা ঝুঁকিতে?

অনলাইনে আমরা প্রতিদিন অসংখ্য বিজ্ঞাপন দেখি। খবরের ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা বিভিন্ন অনলাইন সেবায় বিজ্ঞাপন এখন স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু একটি বিজ্ঞাপন দেখানোর আগে আমাদের

বিস্তারিত »
মিডিয়া ও গণমাধ্যম

বাংলাদেশি সাংবাদিকদের জন্য আন্তর্জাতিক পুরস্কারের সুযোগ, আবেদন ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

বাংলাদেশি সাংবাদিকদের জন্য এসেছে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কারের সুযোগ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে Fetisov Journalism Awards 2026-এর জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশি

বিস্তারিত »